Monday, July 15, 2019

সাফকবালা



নিঃশর্তে দিয়ে দিলাম এ হৃদয়
এবার তোর যা খুশী তাই করিস।
যেদিন থেকেই চোখ পড়েছে চোখে
সারাদিনমান তুইইতো মনে ঘুরিস।

ইচ্ছে হলে লংকা লবন মেখে
মজা করেই চিবিয়ে খেতে পারিস।
আর না হয় যত্নে তুলে রেখে
তোর মন খারাপে যত্তখুশী ঝারিস!

আমার বলে আমারই যখন আর নেই
কেনই বা তাকে নিজের করে রাখি!
দেহ মনের সব মালিকানা যখন তোরই
কখনোই যেন হাতছাড়া না করিস পাখি!

কাকতারুয়া



ধরো
তুমি ব্যালকনিতে দাঁড়িয়েই
বৃষ্টি দেখছো।

আর আমি!
রাস্তায় কাকতারুয়ার মতনই
যাচ্ছি ভিজে।

যদি ডাকি
এসো হাত ধরো
ভালোবেসে করি অবগাহন।

ঠোঁটের উষ্ণতা
যদি ছড়িয়ে দিই ঐ ঠোঁটে
তুমি কি যাবেই মরে লাজে!


অনিবার্য



হয়তো অতি শীঘ্রই
আমি একটি অনিবার্য সত্যের
মুখোমুখি হতে চলেছি।

হ্যাঁ, প্রিয় পাঠক,
কবিতায় আমি আসলে
মৃত্যুর কথাই বলেছি।

যেটা ফেরানোই যাবে না
তা তো ঘটে যাওয়াই ভালো।
মিছেমিছি তা ভেবে ভেবে
কেনো হবে আঁখি ছলো ছলো!

কোনো এক
বৃষ্টিভেজা পূর্ণিমা রাত।
সবাই রবে ঘুমে যখন
সঙ্গী একা নির্ঘুম চাঁদ।

শেষ নিঃশ্বাসও যখন
আমায় ছেড়ে যাবে দূরে।
চেখে নেবো একচুমুকেই
অনিবার্য সেই মৃত্যুর স্বাদ!


বটবৃক্ষ



একে একে সবাই যখন
ছেড়ে যাবে তোমায়
তখনও আমি দাঁড়িয়ে রবো
বুড়ো বটের মতো
না, না
শুধু কালের সাক্ষী হতে নয়
সেই একই ভালোবাসার দাবী নিয়ে
যতদিন উষ্ণতা ছড়াবে এ হৃদয়
ততদিনই শুধু তোমাকেই চাইবো
ঝড়, বৃষ্টি কিংবা বন্যায়
ভালোবাসায় কভু থাকে কি
ন্যায়-অন্যায়!