Sunday, July 21, 2019

কবি



কল্পনায়,ডাহা মিথ্যের মাঝেই
সুখ - শান্তি খুঁজি!
খানিকটা ভালোবাসা পেলেই
থাকি দু'চোখ বুজি!


Friday, July 19, 2019

পরীক্ষা



ধরণীর লক্ষকোটি মানুষের ভীড়ে
তন্নতন্ন করে ভালোবাসা খুঁজি।
শ্রাবণের বৃষ্টির মতো অঝোর ধারায়
টুপটাপ করে ঝরে পড়ে সময়।

বেলা শেষে অসীম শূন্যতায়
প্রচন্ড হাহাকার করে বুক।
অসীম ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ন
অবাধ্য আমার এই পাগল হৃদয়!


Thursday, July 18, 2019

প্রতীক্ষা



হৃদয় ভাঙার শব্দ কি শুনেছো কখনো
অনুভবে বুঝেছো কি বিরহের উত্তাপ?

ভালো না বেসে দেয়া প্রতিটি মিথ্যে আশ্বাস
কারো কারো আজীবনের শোক পরিতাপ!


Wednesday, July 17, 2019

প্রস্তাবনা



যতবারই হেলায় প্রত্যাখ্যান করবে 
বুঝে নিয়ো
ততটাই বড় হবে আমার উপাখ্যান! 

প্রতিবারই দ্বিগুন আবেগে ঘুরে দাঁড়াবো
আর প্রস্তাবিত হবে তুমি 
ঠিক যতটাদিন এই দেহে আছে প্রাণ। 


সুর

প্রায় প্রতিটি নির্ঘুম রাতেই 
দূর হতে ভেসে আসে 
বিরহী বেহালার সুর।

ভোর হলেই আবারও ব্যস্ততা
নিয়ম মাফিক ছুটে চলা
তুমি - আমি, দূর - বহুদূর। 


Tuesday, July 16, 2019

আবেগী



অতি অল্পতেই
যার জল জমে যায় আঁখি কোণে।
তবুও একে ভালোবাসা বলো না তুমি!
আবেগ ছাড়া কি ভালোবাসা জাগে মনে!


Monday, July 15, 2019

সাফকবালা



নিঃশর্তে দিয়ে দিলাম এ হৃদয়
এবার তোর যা খুশী তাই করিস।
যেদিন থেকেই চোখ পড়েছে চোখে
সারাদিনমান তুইইতো মনে ঘুরিস।

ইচ্ছে হলে লংকা লবন মেখে
মজা করেই চিবিয়ে খেতে পারিস।
আর না হয় যত্নে তুলে রেখে
তোর মন খারাপে যত্তখুশী ঝারিস!

আমার বলে আমারই যখন আর নেই
কেনই বা তাকে নিজের করে রাখি!
দেহ মনের সব মালিকানা যখন তোরই
কখনোই যেন হাতছাড়া না করিস পাখি!

কাকতারুয়া



ধরো
তুমি ব্যালকনিতে দাঁড়িয়েই
বৃষ্টি দেখছো।

আর আমি!
রাস্তায় কাকতারুয়ার মতনই
যাচ্ছি ভিজে।

যদি ডাকি
এসো হাত ধরো
ভালোবেসে করি অবগাহন।

ঠোঁটের উষ্ণতা
যদি ছড়িয়ে দিই ঐ ঠোঁটে
তুমি কি যাবেই মরে লাজে!


অনিবার্য



হয়তো অতি শীঘ্রই
আমি একটি অনিবার্য সত্যের
মুখোমুখি হতে চলেছি।

হ্যাঁ, প্রিয় পাঠক,
কবিতায় আমি আসলে
মৃত্যুর কথাই বলেছি।

যেটা ফেরানোই যাবে না
তা তো ঘটে যাওয়াই ভালো।
মিছেমিছি তা ভেবে ভেবে
কেনো হবে আঁখি ছলো ছলো!

কোনো এক
বৃষ্টিভেজা পূর্ণিমা রাত।
সবাই রবে ঘুমে যখন
সঙ্গী একা নির্ঘুম চাঁদ।

শেষ নিঃশ্বাসও যখন
আমায় ছেড়ে যাবে দূরে।
চেখে নেবো একচুমুকেই
অনিবার্য সেই মৃত্যুর স্বাদ!


বটবৃক্ষ



একে একে সবাই যখন
ছেড়ে যাবে তোমায়
তখনও আমি দাঁড়িয়ে রবো
বুড়ো বটের মতো
না, না
শুধু কালের সাক্ষী হতে নয়
সেই একই ভালোবাসার দাবী নিয়ে
যতদিন উষ্ণতা ছড়াবে এ হৃদয়
ততদিনই শুধু তোমাকেই চাইবো
ঝড়, বৃষ্টি কিংবা বন্যায়
ভালোবাসায় কভু থাকে কি
ন্যায়-অন্যায়!


Thursday, July 11, 2019

অভ্যেস



তোমাকে ভালোবাসা
সে যে আমার নিত্যদিনের অভ্যেস!
সেই প্রথম দেখা থেকে হয়েছে যার শুরু
মৃত্যুতেও কভু হবেনা যে তার শেষ!


অসুখ



ঠিক এভাবেই
আর কতকাল কাটাবো বলো।
অতদূর থেকে
কতদিনই আর দেখবো চাঁদ মুখ।

ভালোবেসে
প্রতিদিনই যে বাড়ছে কত চাওয়া।
হৃদয়েও বেঁধেছে বাসা
ছোটোখাটো না পাওয়ার অসুখ।


জমজ



পোড়া আকাশ!
তোরও কি জন্ম আমার মতোই
এই ঘন ঘোর বরিষায়!

অতি অল্পে তোরও মন খারাপ হয়!
মনোঃকষ্টে
হৃদয়ের দু'কূল ভেসে যায়।


Tuesday, July 9, 2019

--অবুঝ_হৃদয়--


মনের অজান্তেই
প্রতিনিয়ত
তোমাকেই ভালোবেসে যাই রোজ।
কেমন প্রেমিকা তুমি!
একটিবারও
নিলে না যে অবুঝ হৃদয়ের খোঁজ!

--ভোর--


আমি সেইদিনের অপেক্ষাতেই আছি
যখন সকল আঁধার কেটে
হয়ে যাবে ভোর।
সূর্যোদয়ের আগেই আসবি তুই
হাতে বেলীফুলের মালা
নিজ হাতে পড়িয়ে দিয়েই বলবি
"আমি শুধুই তোর"।

--প্রয়োজন--




এই যে তুমি করছো
এতটা ছুটোছুটি।
ভালোভাবে দু'দন্ড বাঁচার প্রয়োজনে।
আত্না ছাড়া হৃদয় কী করে বাঁচে!
যতই রাখো না তারে
আভিজাত্যপূর্ণ নিরাপদ কোনো স্থানে!

--পাগলামি--


এই যে পরী!
শুনিস না তুই!
কখন থেকে ডেকেই যাচ্ছি তোকে!
আনমনা থাকি।
কাজেও দিচ্ছি ফাঁকি।
আমায় পাগল যে বলছে সবলোকে!

-ছোঁচা--


তোমাকে কি আমি
কখনও কোনোদিনই বলেছি
তোমার কাছে আমার এটা - ওটা চাই!
কেন তবুও তুমি
ছোঁচা বলো আমাকে
ভালোবাসায় যদিও লজ্জা থাকতে নাই!

--অপ্রাপ্তি--



প্রতিটি রাতের পর পরই
হয়ে যায় সকাল।
আমি চাই বা না চাই
চলে আসে।
প্রতিটি মুহূর্তই
তোমাকে পাশে চাই।
অথচ তুমি বসে থাকো
সুদূর পরবাসে!

--ভুল--



রজনীগন্ধা, গোলাপ নয় গো
ভালোবাসি শিউলি, বেলী ফুল।
নীতি আদর্শে চলায় অভ্যেস
কখনো নড়িনি যে এক চুল।
জীবনে সবকিছুতেই কৃতকার্য হয়ে
শুধু তোমার বেলাতেই ভুল।

--আন্দোলন--


শুধু তোমার ভালোবাসার দাবীতে
আমি আরও একটিবার
বজ্রকঠিন আন্দোলনের ডাক দেবো।
"তোমাকে চাই" পোষ্টারে
ভরিয়ে দেবো হৃদয়ের অলিগলি
উত্তাল মিছিলেই মনের দখল নেবো।

--পরী---


ইদানীং
কেউ ভালোবাসার কথা বললেই
বুকের আঙিনায় শত রক্তজবা ফোঁটে।
আকাশে উড়াউড়ি করে শুভ্র গাঙচিল।
চোখ বুঝলেই দেখি
পরীর সাজে সেথা বসে আছো তুমি।
সন্ধ্যার আবীর আলোয় লাজে লাল টুকটুক
কপোলের তিলটাও যেন করছে ঝিলমিল।

---গুরু---


তোমার একটি আলতো ছোঁয়ায়
শুরু ভুমিকম্প এই বুকে।
তুমিই যে আমার প্রেমের গুরু
আজীবন, সুখে অসুখে।

--একান্ত--



তোমার শহরের
সবক'টা ফুলের দোকানে
আমি বলে রেখেছি তোমার নাম।
তুমি যেখানেই যাবে
যে ফুলই চাবে, ওরা দিয়ে দেবে সব
একটিবারও তাকাবে না ডান বাম।

-রেশ--



শুরুটা আমার
হোক না যেমনই।
তোমাতেই হতে চাই তবু শেষ।
ভালোবাসার প্রদীপ
যদিও নিভে যায় কভূ।
যেন চিরকাল রয়ে যায় তার রেশ।

--ভয়--



আমার কাছে
শুধু তুমি থাকা মানেই
অনেকই বিশাল একটা কিছু।
ভালোবাসার চেয়ে
আরো বেশী ভালোবাসি তাই
পেয়ে হারানোর ভয় নিয়েছে যে আমার পিছু!

--অদেখায়--


প্রতিক্ষণই চেয়েছি
তোমার প্রতি এ ভালোবাসা
যেন মুহুর্তে মুহুর্তেই
অনেকগুনে বেড়ে যায় আরো।
হয়তো তাই জেনো
তোমার সাথে আমার
কিংবা আমার সাথে তোমার
কখনোই দেখা হবে না কারো।

--জাল--



কেমন করে যে আটকে গেলাম
তোমার ভালোবাসার বেড়াজালে!
ছাড়াই যতই, যেন বাঁধা পড়ি তত
সাথে অবুঝ এ হৃদয়ের রোষানলে!

--বিষ--

ভালোবাসা কুড়াই আমি
জলের ফোঁটায় জমে থাকা
দু'চোখের কিনারে!
প্রকৃত প্রেমিক বিনে বুঝবে কি কেউ
ভালোবাসার বিষও
কতটা মধুর হতে পারে!

--অজুহাত--



ভালোবাসাই
আমার একমাত্র অজুহাত
তোকে চাওয়ারও কারন।
তোর জন্যই
যত্তসব অনিয়ম আমার
পেরোই সমস্ত বাঁধা বারণ।